Home » Featured » ব্রেক্সিট এবং আর্টিকল ৫০ঃ লিগ্যাল হিয়ারিং ১৯শে জুলাই ২০১৬

ব্রেক্সিট এবং আর্টিকল ৫০ঃ লিগ্যাল হিয়ারিং ১৯শে জুলাই ২০১৬

সৈয়দ শাহ সেলিম আহমেদ- লন্ডন থেকেঃ

 

ব্রেক্সিটের ব্যাপারে গণভোটের রায় এলেও ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার জন্যে আনুষ্ঠানিক  আইনি নোটিশ দেয়ার জন্যে যে আইনের দ্বারস্থ হতে হবে, বা যে আইনের ক্ষমতা প্রয়োগের সুযোগ দিয়েছে ইউনিয়নের আইন, সেই ধারার নাম হলো বহুল প্রচারিত ও উচ্চারিত আর্টিকল ৫০, ৫০(২) ধারা। এই আর্টিকল ৫০ এর সুযোগ নিয়ে কিংবা এর ক্ষমতা প্রয়োগ করে কেবলমাত্র প্রধানমন্ত্রী যাতে ব্রেক্সিট কার্যকর বা ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে আসার আইনি প্রসেস করতে না পারেন, সেজন্যে প্রাইভেট ভাবে একজন হেয়ার  ড্রেসার প্রাইভেট  আইনজীবীদের দ্বারা ব্রিটিশ আদালতে লিগ্যাল কার্যক্রম শুরু করেছেন। যার ফলে মাননীয় আদালত এর  জন্যে শুনানীর দিন ধার্য করেছেন আগামী ১৯শে জুলাই ২০১৬। আর এর মধ্য দিয়ে ব্রেক্সিট এর প্রথম আইনী লড়াই কার্যক্রম শুরু হয়ে গেলো।

 

ডিয়ার ডোস শান্তুস নামের ব্রিটিশ সিটিজেনের পক্ষে  ডোমিনিক চেম্বার্স কিউ সি এই জুডিশিয়াল রিভিউয়ের জন্যে আবেদন করেছেন। ডোমিনিক শান্তুসের পক্ষে আবেদনে বলেছেন, আর্টিকল ৫০ এ একজন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী যাতে ক্ষমতা এককভাবে প্রয়োগ করতে না পারেন- ব্রিটিশ পার্লামেন্টের অনুমোদন ছাড়া। তার মতে, আর্টিকল ৫০ বলে ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে আসার জন্যে কেবলমাত্র পার্লামেন্টই অনুমোদন করতে পারে- কেবলমাত্র প্রধানমন্ত্রী নন।

 

euparliament.jpg

 

পার্লামেন্টের অধিকাংশ মেম্বারই রিমেইনের পক্ষে। তাদের আর্গুমেন্ট হলও আগামীতে প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে আন্ড্রিয়া লিডসম যেমন ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে আসার পক্ষে, আবার থেরেসা মেও রিমেইন ক্যাম্পেইনের।

 

ডোমিনিক চেম্বার্স কিউ সি`র মতে,  জুডিসিয়াল রিভিউ সংশোধন বা সঠিকভাবে প্রয়োগের জন্যে, যখন দেখা যায় এক্সিকিউটিভ পাওয়ার অন্যায়ভাবে  ব্যবহ্নত হচ্ছে বা হতে পারে। এক্সিকিউটিভ পাওয়ার যাতে অন্যায়ভাবে বা ক্ষমতার অপপ্রয়োগের মাধ্যমে পার্লামেন্টের অনুমোদনের বাইরে আর্টিকল ৫০ এ ব্যবহ্নত না হয়।

 

[highlight]

What is article 50?

This is a clause in the Lisbon Treaty that sets out the legal process for a country notifiying the European Union it intends to withdraw. Once notification is given, negotiations must be concluded within two years – any extension needs the agreement of all EU members.
During the process, the UK remains a member of the EU, but if talks are not concluded after two years, and not extended, Britain reverts to world trade organisation terms, requiring tariffs to be imposed.
David Cameron said article 50 should be triggered by his successor – but for other EU countries the UK’s heel-dragging is already causing frustration.

[/highlight]

 

 

আবেদনকারীর দাবি, রেফারেন্ডাম এর রায় কোন বাধ্যবাধকতা নয়, তা পালন করতে হবে। এটা মূলত এডভাইজরি– পার্লামেন্ট চাইলে অনুমোদন না রিজেক্ট করতে পারেন।রেফারেন্ডামের রায় পালন বাধ্যতামূলক নয়। যদিও প্রধানমন্ত্রী বার বার বলেছেন,  গণভোটের ফলাফল  এর প্রতি শ্রদ্ধা ও মানার জন্যে সম্মান দেখানো উচিৎ এবং সেকারণে সরকার ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে আসার জন্য অর্গেনাইজ হওয়া শুরু করে দিয়েছে। বিশেষ করে প্রাইম মিনিস্টারের রেজিগনেশনের দিন থেকে আর্টিকল ৫০(২) এর লিসবন ট্রিটি অনুসারে সরকার আর্টিকল ৫০ এর বলে বা প্রয়োগের জন্যে তড়িঘড়ি করছে- পার্লামেন্টের অনুমোদন ছাড়াই। যে কারণেই জুডিশিয়াল রিভিউ বলে তারা জানিয়েছেন।

 

 

সরকারের মুখপাত্র স্বীকার করেছেন, কোর্টের নোটিশ পেয়েছেন এবং আদালতে লড়বেন বলে ইন্ডিপেন্ডেন্টকে জানিয়েছেন।

 

salim932@googlemail.com

09th July 2016, London

 

 

 

 

 

Add a Comment

Your email address will not be published.