Home » Featured » নয়াদিল্লি-ঢাকা-বেইজিং সম্পর্কঃর` আইএসআই, সিআইএ মোসাদ তৎপরতা, বেনজীর-আজিজের ভুমিকায় পালটে গেলো সব ছক

নয়াদিল্লি-ঢাকা-বেইজিং সম্পর্কঃর` আইএসআই, সিআইএ মোসাদ তৎপরতা, বেনজীর-আজিজের ভুমিকায় পালটে গেলো সব ছক

গত সংখ্যাতে লিখেছিলাম, বৈশ্বিক রাজনৈতিক পরিমন্ডলে একজন শেখ হাসিনা যেভাবে সব দিক সামাল নিয়ে খেলছেন, সকল সমালোচনা আলোচনাকে পেছনে ফেলে শেখ হাসিনাকে বিশ্ব সভায় এখন এক অপরিহার্য ও দৃঢ়চিত্ত রাষ্ট্রনায়কের মর্যাদায় এমনভাবে নিয়ে গেছে যে, হাসিনা ডাইন্যাস্টি এখন বিশ্ব রাজনীতির অপরিহার্য এক অংশ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার ফরেন মিনিস্টার আবদুল মোমেনের এই স্বাধীন ও সবার সাথে বন্ধুত্বের নয়া অর্থনৈতিক কূটনীতির ফলে বাংলাদেশের সাথে ভারত রাশিয়ার সাথে মিলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য, মধ্যপ্রাচ্য সহ চীন, পাকিস্তানের সাথে সম্পর্ক গড়ে উঠছে। এই অর্থনৈতিক কূটনৈতিক সম্পর্কের আলোকে কখনো কখনো বাংলাদেশ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার ফরেন মিনিস্টারকে অনেক বৈপিরিত্যের সংবাদ ও বিশ্লেষণের মুখোমুখী হতে হচ্ছে। সেক্ষেত্রে অর্থনৈটিক কূটনৈতিক নয়া সম্পর্ক নেগেটিভ ইস্যুর মাত্রারও বিরোধীদের মাধ্যমে ছড়িয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঢেউ তুললেও বিশ্ব দরবরে বাংলাদেশের বার্তা সঠিকভাবে পৌছানোর ক্ষেত্রে কোন বাধা এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান হয়নি।

০২) কিন্তু পর্দার আড়ালের খেলা কিন্তু থেমে থাকেনি। ভৌগলিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং পরিবেশগত ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ভারত, চীন, পাকিস্তান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এক লোভনীয় দেশ হয়ে আছে। করোনা মহামারীর প্রেক্ষিতে বিশ্ব রাজনীতি এবং অর্থনীতি এখন আর আগের মতো অবস্থানে নেই। আগের অবস্থানে বিশ্ব আর কোনভাবেই ফিরেও যেতে পারবেনা। যদি যেতেই হয়, তাহলে যেমন অবেক কাঠ খড় পোহাতে হবে, সময় সুযোগের অপেক্ষার মাত্রা যেমন রয়েছে তেমনি রয়েছে প্রযুক্তির উন্নয়নের চ্যালেঞ্জের সাথে সহাবস্থান করে এগিয়ে চলার যুদ্ধ। যে যুদ্ধের অনেক দামামা এখন অনেকটাই পর্দার আড়াল থেকে দৃষ্টির গোচরে চলে এসেছে। প্রযুক্তি, অর্থনীতি আর সমরনীতির চ্যালেঞ্জে চীন এখন অনেকটাই এগিয়ে, যেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে নেতৃত্ব দেয়ার কথা, সেখানে চীন করোনার তান্ডবে বেশ যূতসইভাবেই সবাইকে টপকে এগিয়ে রয়েছে, যদিও চীনের এগিয়ে যাওয়ার সামনে এখনো পাহাড় সমান বাধা হয়ে আছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা।

০৩) প্যানডেমিক সময়কালীন সময়ে বিশ্ব দুই শিবিরে চলে এসেছে। চীন-রাশিয়া-ইরান সহ পাকিস্তান, তুরষ্ক, সিরিয়া অনেকটাই প্রকাশ্যে এক শিবিরে বিপরীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, ব্রিটেন, কানাডা এক শিবিরে চলে এসেছে। বিশ্বের এই বিভাজন ও নয়া কূটনৈতিক, প্রযুক্তিগত আর অর্থনৈতিক কূটনীতির খেলায় বাংলাদেশ ভারত এবং চীন দুই শক্রির সাথে যেমন সমানভাবে সম্পর্ক রেখেছে, তেমনি নতুন করে পাকিস্তানের সাথেও সম্পর্কের উন্নতি করতে যাচ্ছে। পাশাপাশি রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও কানাডা, সৌদি আরব ও মধ্যপ্রাচ্যের সাথে সম্পর্ক রেখে চলছে।

০৪) উভয়বিধও কারণে ভারত এবং চীনের কাছে বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ। ভারতের সাথে যেমন বাংলাদেশের গভীর সম্পর্ক আবার চীনের সাথে বাংলাদেশের নতুন এক অর্থনৈতিক এবং প্রযুক্তিগত সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। চীনের সাথে ভারতের যেমন বিশাল বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে, তেমনি চীনের সাথে পাকিস্তান ও ইরানের নানা বাণিজ্যিক ও প্রযুক্তিগত চুক্তিও স্থাপিত হয়েছে।

চীন-বাংলাদেশ ঘনিষ্ঠতা-ফের মাইনাস টু ফর্মুলা সক্রিয়ঃপর্দার আড়ালে ঢাকা নিয়ে নতুন খেলা….

০৫) শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় আসীন হওয়ার পর থেকে একটি গোষ্ঠী নানাভাবে শেখ হাসিনার সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য ছক এবং কৌশল বেশ কয়েকবার করেছে। প্রতিবারই সেই স্বার্থবাদী গোষ্ঠীর ছক ও খেলা ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এবং বাংলাদেশর আইন শৃংখলা বাহিনীর সংস্থাসমূহ বেশ দক্ষতার সাথে সেই সব বাতিল করে দিতে সক্ষম হয়েছে। কিন্তু দুষ্ট চক্রের খেলা ও তৎপরতা থেমে থাকেনি। গত ফেব্রুয়ারি থেকেই সেই তৎপরতা বেশ পরিকল্পিতভাবে  গড়ে উঠে। যার ইঙ্গিত গত লেখালে দিয়েছিলাম। সম্প্রতি সেই তথ্য সমূহ নতুনভাবে সামনে এনেছে ভারতীয় পত্রিকা আসামের নর্থ ইষ্ট নিউজের ইংরেজি পত্রিকা। আসামের সংবাদ মাধ্যমটি অনেকটাই খোলাসাভাবে তীর নির্দিষ্ট জায়গার দিকেই নির্দেশ করে লিখেছে, যদিও আমার গত লেখায় অনেক উপমা এবং ডিপ্লোম্যাটিক শব্দ চয়নের মাধ্যমে যথাযথ ম্যাসেজটি পাঠকদের দেবার চেষ্টা করেছিলাম। আসামের সংবাদ মাধ্যম অবশ্য কোন রাখঢাক করেনি। সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর একজন উপদেষ্টাকে পাকিস্তানপন্থী বানিয়ে সংবাদ করেছে। এপ্রসঙ্গে আমার বাস্তব একটা ঘটনা মনে পরছে। ৯০ এর আন্দোলনের পর প্রথমবারের পরের দিকে শেখ হাসিনার সরকারের  জাদরেল অর্থমন্ত্রী এ এস এম কিবরিয়া যখন কালোটাকার বিরুদ্ধে কঠোর ভুমিকা নিয়েছিলেন, তখন একজন বিশিষ্ট ” ”  জনের প্রতিষ্ঠান মারাত্মকভাবে আক্রান্ত হচ্ছিলো। সেই সময় সচিবালয়ে দরজা লক করে গুন্ডামি স্টাইলে প্রয়াত অর্থমন্ত্রী কিবরিয়াকে যেভাবে শাসিয়ে ছিলেন, হতভম্ব শুধু হইনি, মনে হয়েছিলো-এই যখন অর্থমন্ত্রীর ত্রাহি অবস্থা-এই দেশে জবাবদিহিতা এবং আইনের স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠিত হতে হলে অনেক কাঠ খড় এমনকি কয়েক দশক লেগেও যেতে পারে।

০৬) ফিরে আসি আইএসআই এবং র এর প্রসঙ্গে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের সাথে নরেন্দ্র মোদীর সরকারের বেশ “রক্তের সম্পর্ক” (ঢাকার পত্র পত্রিকা থেকে ধার নিলাম) এতো শক্তভাবেই গড়ে উঠেছে যে, সেই স্থান দখল নিতে চাচ্ছে বেইজিং। বেইজিং এর সাথে সহযাত্রী হয়ে আছে পাকিস্তানের আইএসাআই, ইরানের এমওআই এস। তৃতীয় সঙ্গী এবং পৃথক এক মঞ্চের একচ্ছত্র খেলোয়াড় মোসাদ, মোসাদের সাথে ঘনিষ্ট সম্পর্ক রয়েছে র সিআইএ, হালের বেইজিং, এমওআইএস, কেজেবি সহ সকলের সাথেই তার মাত্রা ভেদে সমান সম্পর্ক। ।ঢাকা ইস্যুতে সিআইএ  ভিন্নমত থাকলেও প্যানডেমিকে বিপর্যস্ত মার্কিনীদের কাছে এখন ভারতই ভরসা ও আস্থার স্থল। সেজন্য ঢাকার ইস্যুতে ওয়াশিংটন, নয়াদিল্লি এখন এক বলয়ে। সাথে ব্রিটেন, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া। ইসরাইল এখন ঢাকার মিত্র শক্তি প্রকাশ্য এবং অপ্রকাশ্যে। নয়াদিল্লি এবং ওয়াশিংটন যেকোন মূল্যে ঢাকার আধিপত্য থেকে বেইজিংকে বাইরে রাখতে চায়। নয়াদিল্লি ও ওয়াশিংটনের চাপের কাছে ঢাকা গভীর সমুদ্র বন্দর টার্মিনাল বেইজিংকে না দিয়ে জাপানকে দিতে হয়েছে। সব কিছুই নয়াদিল্লি ও ওয়াশিংটনের ছকে চললেও বেইজিং নাটকীয়ভাবে খেলা পালটে দিয়ে ঢাকায় বেশ গভীরভাবে অর্থনৈতিক কূটনৈতিক সম্পর্কে এগিয়ে যায়। বেইজিং এর পথ ধরে পাকিস্তান নাটকীয়ভাবে এক পা ভিতরে এগিয়ে আনে। ইতোমধ্যে বিশ্ব পরিমন্ডলে বেইজিং পাকিস্তান ইরান রাশিয়া তুরষ্ক সিরিয়া এক মডেল আবির্ভুত হওয়ার বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নেয়, যা ওয়াশিংটন ও লন্ডনে টান টান মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে উঠে। ওয়াশিংটন ভারতের দিকে (ভারত যখন নিজের স্বার্থেই চীন ইস্যুতে) এগিয়ে আসে। লাদাখ ইস্যুতে ওয়াশিংটন ভারত অনেক কাছাকাছি চলে আসে।লাদাখ ইস্যুতে ঢাকা কারও পক্ষে প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে নিরপেক্ষ অবস্থান নেয়ায় ওয়াশিংটন নয়াদিল্লির কাছে নতুন এক বার্তা পৌছে যায়। ঢাকাকে চাপে রাখার জন্য নয়াদিল্লি নতুন খেলা খেলে। ওয়াশিংটন নয়াদিল্লিকে সেই খেলার সুযোগ এবং স্কোপ পূর্ণ মাত্রায় করে দেয়। যার প্রমাণ ডিজিএফআই এর হাতে বলে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে খবর বেরিয়েছে। আসাম সংবাদ মাধ্যম সেই তথ্য অনেকটাই খোলামেলাভাবে তুলে ধরেছে।  মেজর সিনহা ইস্যু একটা নাটকের উপাখ্যান মাত্র। ঢাকাকে বাগে নিতে র সিআইএ  আইএসআই বেইজিং মোসাদ যে যার মতো করে খেলেছে। ছিলোনা কোন নিয়ন্ত্রণ বা একচ্ছত্র কোন পরিকল্পনা। একটাই টার্গেট ঢাকাকে বেইজিংমুখী থেকে ফেরানো- আবার তার কাউন্টার খেলা। সেজন্য চলে কাউন্টার এন্টি কাউন্টার পরিকল্পনা। আইএসআই বেইজিং এর মাথায় হাত রেখে ক্ষমতার পট পরিবর্তনের ষড়যন্ত্র করে। উদ্দেশ্য যুদ্ধাপরাধী বিচারের বদলা, যা দেশের ভিতরের কায়েমী গোষ্ঠী এবং কর্পোরেট রাজ্যের অধিপতিরা আইএসআইয়ের খেলার ক্রিড়নকে পরিণত হন ইচ্ছে কিংবা অনিচ্ছায়। চীন রাশিয়া ও তুরষ্কের সাথে ব্যবসায়িক ডিল পাকাপোক্ত করতে গিয়ে আমাদের দেশীয় কায়েমী হীন রাজনীতিবিদ, মেরুদন্ডহীন কর্পোরেট অধিপতিরা আর নখ দন্তহীন এনজিও কর্ণধারেরা মার্কিন “আর” অধ্যক্ষরকে সাথে নিয়ে কলকাতায় ও  দুবাইতে বৈঠক আর সিসকোতে ভার্চ্যুয়াল বৈঠক যখন করে, তাদের ধারণারও বাইরে তাদেরই মুরুব্বী আইএসআই তার নিজস্ব এজেন্ডা বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে রাজাকার ও রাষ্ট্রদ্রোহীদের সাথে মিলে অনেক দূর এগিয়ে গেছে। আইএসআই চাইছিলো বাংলাদেশের প্রধান দুই বাহিনী সেনাবাহিনী ও পুলিশ র‍্যাবকে মুখোমুখী দাড় করিয়ে ফায়দা তুলে নিতে। চিহ্নিত রাষ্ট্রদ্রোহী আর দেশ বিরোধীরা যেকোনভাবেই ক্ষমতার পট পরিবর্তন চাইছিলো। সেজন্য তারা নিষ্টুর যেকোন পথ বেছে নিতে পিছপা হয়নি। তাদের উদ্দেশ্য ছিলো দুই বাহিনীর যুদ্ধংদেহী এবং বিশৃংখলার সুযোগে তাদের তাবেদার সেইগুনীজনকে প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসিয়ে আজকের প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রপতির আসনে নিয়ে দেশকে তাদের মতো করে পরিচালিত করা। যাতে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে সমর্থন পেতে খুব একটা অসুবিধা বা বেগ পেতে না হয় এবং অযাচিত রক্তপাতও এড়ানোর জন্য সস্তা বাহবা লাভ করা। র এবং সিআইএ এবং বেইজিং যাতে কোন বাধা হয়ে না দাঁড়ায়। কারণ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্রপতির আসনে আছেন- যেমন এখন আছেন আব্দুল হামিদ। মাঝখানে শেখ হাসিনার সরকারের একনিষ্ট সমর্থক সেনা প্রধান জেনারেল আজিজ, পুলিশের আইজি বেনজির আহমেদ, ফরেন মিনিস্টার আব্দুল মোমেন-এই তিনজনকে সরিয়ে দিয়ে ক্ষমতার কেন্দ্র বিন্দু থেকে নয়াদিল্লি এবং ওয়াশিংটনের প্রভাবমুক্ত রাখা। আইএসআই জানে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সমর্থনের বদলে নিজেদের ভরাডুবি শুধু নয় মৃত্যুদন্ডও হতে পারে। আইএসআই এর এই ভয়ংকর খেলা বেইজিং টের পেয়ে ঢাকাকে জানিয়ে দেয়। বেইজিং পুরোপুরি ব্যবসায়িক এবং তার টার্গেট বিশ্ব নেত্রীত্ব। বাংলাদেশের গভীর সমুদ্র  অঞ্চল হয়ে সুদূঢ় অস্ট্রেলিয়া পর্যন্ত জ্বালানি লাইন মজবুত ও প্রতিষ্ঠিত করা-আইএসআই এর কারণে বেইজিং তার এম্বিসিয়াস পরিকল্পনাকে ভেস্তে দিতে পারেনা। শুধু গভীর সমুদ্র বন্দর কিংবা বাংলাদেহের বাণিজ্যিক আধিপত্য নয়, গভীর সমুদ্রের একেবারে তলদেশ দিয়ে যে চ্যানেল সুদূঢ় অস্ট্রেলিয়া পর্যন্ত গিয়েছে-সেই চ্যানেল হলো স্বর্ণ আর তেলের মতো আরো এক খনি -মাছের খনি-যা ইউনেস্কো ৬২ সালেই বেইজিংকে জানিয়েছে।

০৭) র আইএসআই  আর সিআইএর ত্রিমুখী খেলায় সম্ভাবনাময়ী তারুণ্য নিভে গেলেও সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ এবং পুলিশের আইজি বেনজির আহমেদ তাৎক্ষনিকভাবে প্রটোকল ও প্রথা ভেঙ্গে নাটকীয় এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়ে সকল দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র এমনভাবে ভেঙ্গে দিলেন, পাশাপাশি দুইবাহিনীর ভিতরে ক্ষোভ, হতাশাকেও প্রশমিত করে প্রশংসিত হলেন। দেশকে ভয়াবহ এক সংঘাতের দিক থেকে রক্ষা করলেন। জেনারেল আজিজ এবং বেনজির আহমেদ যদি সেদিনই প্রটোকল ভেঙ্গে তাৎক্ষনিকভাবে  বাঙালিয়ানা স্টাইলে যৌথ প্রেস ব্রিফিং করে পরিস্থিতি প্রশমিত না করতেন, তাহলে কলকাতা ও দুবাই এবং তাদের সিসকো ভার্চ্যুয়াল বৈঠকের আলোকে দেশে বিশেষ করে পার্বত্য অঞ্চলে দাঙ্গা বাধিয়ে দিয়ে বিপর্যয়ের মাত্রা ভয়াবহ করে তুলতো।

 

চলবে

লন্ডন ১৪ আগস্ট ২০২০।

error: Content is protected !!