Home » কলাম » একবার নৌকার পালে হাওয়া দেন, আবার ধানের শীষের ডগায় কম্পন তুলেন, আসলে এরশাদ কার?

একবার নৌকার পালে হাওয়া দেন, আবার ধানের শীষের ডগায় কম্পন তুলেন, আসলে এরশাদ কার?

Submitted by syed shah salim… on Mon, 01/07/2013 – 8:48pm

জেনারেল এরশাদ– পুরো নাম হোসেইন মোহাম্মদ এরশাদ।১৯৮৩-৮৪ সালে বাংলাদেশের মাটিতে সারা জাগানো এক সেনা নায়ক, রেডিও আর বিটিভির বরাতে তখনকার বাংলাদেশের জনগণের কাছে পরিচিত এক সামরিক নায়ক লে: জেনারেল এইচ এম এরশাদ।তখনকার সময়ের রেডিও বাংলাদেশ, বিটিভি আর বিবিসি বাংলার সান্ধ্যকালিন সংবাদ যারা নিয়মিত শুনতেন তাদের কাছে এরশাদ, লে: জেনারেল এইচ এম এরশাদ নামেই পরিচিতি পেয়েছিলেন।

নয় বছরের দুর্দণ্ড প্রতাপে দেশ শাসন করার দুর্লভ(?) এক ভাগ্যের অধিকারী এই সেনানায়ক ১৯৯০ সালের গণ-অভ্যুত্থানের প্রেক্ষিতে পদত্যাগ করতে বাধ্য হলেও কুশলী এরশাদ বলা যায় রাজনৈতিক ক্যারিশম্যাটিক এক যাদুর বলে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ আর ১৫ দলীয় ও ৭ দলীয় ঐক্যজোটের বিপরীতে জনতার সেই বাঁধভাঙ্গা বিরুদ্ধ ও প্রতিবাদী স্রোতকে সাধারণ নির্বাচনে অংশ গ্রহণের ঢামাডোলে সার্থক ভাবে কাজে লাগিয়ে রাজনীতির ময়দানে প্রবল দাপটের সাথে ফিরে এসেছেন, জেলের মধ্যে বন্দী জীবন থেকেও। সেই হিসেবে দেখা যায়, জেল ভাগ্য অনেকটাই এরশাদের রাজনৈতিক পুনরুত্থানে শাপে ভর হিসেবে কাজ করে। না হলে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ আর ২২ দলীয় জোটের, জামায়াতের দেয়া স্বৈরাচার আর পটুয়া কামরুল হাসানের বিশ্ব-বেহায়া উপাধি প্রাপ্ত আর সব কটা রাজনৈতিক দল ( আ স ম আবদুর রব-এর নেতৃত্বাধীন সম্মিলিত বিরোধী দল-কপ ছাড়া), সাংস্কৃতিক জোট, শিল্পী, সাহিত্যিক, কবি, দার্শনিক, বুদ্ধিজীবী, অধ্যাপক, আইনজীবী ও তাদের সংগঠন, ছাত্র-ছাত্রীদের প্রচণ্ড বিরোধিতা আর সংগ্রামের মধ্য দিয়েও, ময়েজউদ্দিন, সেলিম, দেলোয়ার, তিতাস, দীপালী শাহা, কাঞ্চন, শাজাহান সিরাজ, মুনির,তপন, নূর হোসেন, ডাঃ মিলন সহ অসংখ্য শহীদের বুকের তাজা রক্তের বিনিময়ে অর্জিত সেই গণ-অভ্যুত্থানের সফল পরিসমাপ্তির পর হতাশ ও ভঙ্গুর এবং ক্ষয়িঞ্চু জাতীয় পার্টিকে গর্তের ভিতর থেকে একই সাথে নিজে জেলের মধ্যে অবস্থান করে, বহু মামলা মাথায় নিয়ে, আবার রাজনীতির রঙ্গমঞ্চের একেবারে সেন্টার পয়েন্টে নিয়ে আসার মতো চৌকস এক বাস্তব সিনেমাটিক ক্যারিশমার সার্থক এক নায়কের নাম হোসেন মোহাম্মদ এরশাদ। বয়সের ভাঁড়ে ন্যুব্জ, অথচ চলনে, বলনে, কথায়, ক্যারিশমা আর রাজনীতির দাবার চালে এখনো অসম্ভব এক যাদুকরী, মোহময়ী, মোঘল হেরেমের অমিয় সুধা পান করাতে অভ্যস্ত আমাদের এই এরশাদ সাহেব।বেশ কয়েক বছর ধরে হোসেইন মোহাম্মদ এরশাদ-এর কথা বার্তা অনেক রাজনীতি সম্পন্ন এবং বাস্তব ধর্মী হওয়া সত্যেও কখনোই উনি নিজে যা বলেন, সেই কথার মধ্যে দৃঢ় অবস্থানে থাকার মতো লোক যে তিনি নন, সে বিষয়ে তিনি জনগণের কাছে পরিষ্কার একটা ধারণা যেমন দিয়েছেন, একই সাথে তার রাজনৈতিক উত্থান-পতনের মতো বর্তমানের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত করলেও দুই বৃহৎ রাজনৈতিক জোট এবং শক্তির কাছে নিজের রাজনৈতিক গ্রহণ যোগ্যতার প্রমাণ অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে দিয়েছেন।বার বার একটি কথাই বলছেন, শেষ জীবনে মানুষের একটা স্বপ্ন থাকে, ইজ্জত সম্মান নিয়ে বিদায় নেয়ার, মহাজোট সরকার তার সাথে কথা রাখেনি। আবার পরক্ষণেই কোন এক অদৃশ্য সুতার টানে তিনি চুপসে গিয়েছেন।

এরশাদ সাহেব যখন সামরিক উর্দি পরে সারা বাংলাদেশ চষে বেড়াচ্ছিলেন, তখন কোন এক সময় বঙ্গভবনের দরবার হলে এক বিশেষ রাজনৈতিক এসাইনম্যান্ট নিয়ে উনার সাথে আমার প্রথম সাক্ষাত হয়।হয়তো উনার মনে থাকার কথা নয়। ঐ সময়, বাইরে থেকে উনার সম্পর্কে যে সব গসিপ প্রচারিত হতো, অনেক কেচ্ছা-কাহিনী চালু ছিলো, সাক্ষাতে মনে হয়েছিলো সামরিক উর্দি পরা এই লোকটির ভিতরে অসম্ভব এক কবি প্রেমিক মন রয়েছে, যা বাংলার দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফুটানোর জন্য মন-প্রাণ কাঁধে ।নয় বছরের শাসনামলে এরশাদ সাহেবের অনেকগুলো বিতর্কিত কাজ থাকলেও জাতীয় ঔষধ নীতি, জাতীয় জনসংখ্যা নীতি,প্রশাসন বিকেন্দ্রীকরণ, আন্তঃনগর রেলের প্রবর্তন, ঢাকা মহানগরীর সৌন্দর্য বর্ধন, রাস্তা-ঘাটের উন্নয়ন স্বীকার করতেই হবে, বেশ যুগান্তকারী পদক্ষেপ ছিলো।এরশাদ সাহেব হয়তো উনার সেই সব কাজের ফিরিস্তি আজো চোখ বুজে নস্টালজিয়ায় ভুগেন।

হালের রাজনীতিতে হোসেন মহাম্মদ এরশাদ বেশ জনপ্রিয় এবং বলা হচ্ছে হেফাজতের সাথে সমানভাবে তিনিও এক বিরাট ফ্যাক্টর, যে কারণে দুই বৃহৎ জোটের ও নেত্রী এরশাদের সমর্থনের জন্য মরিয়া ও প্রাণপণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন। ৯০ এর পর থেকে সেই কথিত স্বৈরাচার এখন দুই নেত্রী ও জোটের কাছে বড় লোভনীয় এবং রাজনৈতিক খেলার পাত্র হিসেবে আভির্ভূত হয়েছেন। সাম্প্রতিক রাজনীতির বিচারে দেখা যাচ্ছে, দুই নেত্রী যেমন এতোদিন এরশাদকে দাবার ঘুটির মতো ব্যবহার করেছেন, কখনো নানা ভয়-ভীতি, জেল-মামলা-হামলা ইত্যাদির ভয় দেখিয়ে। রাজনৈতিক বন্ধ্যাত্বের সুযোগে কুশলী ও সমর সৈনিক এরশাদ এখন নিজেই রাজনৈতিক নেত্রীদের জ্ঞাতে-অজ্ঞাতে ( অথচ ভাবখানা যেমন আমি ব্যবহ্রত হচ্ছি, আমাকে ব্যবহার করো, তাতেই আমার আরাম) তিনিও সমান তালে খেলে চলেছেন।একদিকে এরশাদ নিজেকে দুই নেত্রীর কাছে ব্যবহ্রত হতে দিচ্ছেন, সংবাদ পত্রের ও মিডিয়ার শিরোনাম হচ্ছেন, অপরদিকে নিজ পার্টিকে ভর করে, রাজনৈতিক দৈন্যতাকে কাজে লাগিয়ে, নিজের ডিপ্লোম্যাসি ভালোমতোই প্রয়োগ করে চলেছেন। দুই নেত্রীর ক্রীড়নকে পরিণত হয়ে এরশাদ এখন নিজেই এক দক্ষ রাজনৈতিক খেলোয়াড়ে পরিণত হয়েছেন।বাজারে ছড়িয়ে দিয়েছেন, দুই নেত্রীর কাছে পার্টির দুই গ্রুপ তৈরি করে দিয়েছেন, মাজ খানে নিজে এখন কখনো নৌকার পালে হাওয়া দেন, আবার ধানের শীষের কম্পনে মৃদু-মন্দ হেলে দুলে চলেন, আবার হেফাজতের সুরে সুর মিলিয়ে বাঁশী বাজান। এরশাদের এই কৌশল এখন অনেকটা ভারতের কূটনৈতিক তৎপরতার মতোই। বৃহৎ প্রতিবেশী ভারত এখন মূলত এই উপমহাদেশের প্রধান নিয়ামক শক্তি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অনেক আগেই ভারতকে এই উপমহাদেশের ক্যাপ্টেন্সী দিয়ে দিয়েছে। হাসিনার ভারতীয় লবি এখন একই সাথে হোসেন মোহাম্মদ এরশাদের সাথে সমান তালে লিয়াজো করে চলেছে। ভারতের সাম্প্রতিক এরশাদ প্রীতি এবং প্রকাশ্যে ভারতীয় উচ্চ মহলের এরশাদের প্রতি আতিথেয়তা প্রদর্শন, পঙ্কজ স্মরণের এরশাদের সাথে সরাসরি বৈঠক- সব কিছুতেই বুঝা যাচ্ছে ভারতীয় সিগন্যাল এখন এরশাদের পাল্লাই অনেকটাই ভারী। ভারতের উচ্চ মহলের অনেকটাই এখন বোধ গম্য হয়েছে, এরশাদকে ক্ষমতায় না রাখতে পারাটাই তাদের ডিপ্লোম্যাটিক কৌশলের অনেকটাই সেই ব্যর্থতার খানিকটা হয়তো তারা এখন এই ২০১৪ সালের দিকে সুদে আসলে পুষিয়ে দিতে চাচ্ছে।আবার ভারত তার অর্থনৈতিক (বৃহৎ এই বাজার)এবং রাজনৈতিক স্বার্থে সব কটা রাজনৈতিক দলের সাথেই লিয়াজো যেমন রাখছে, রাখবেও, এটা নিশ্চিত। তবে ভারতীয় আশীর্বাদ শেষ মুহূর্তে কার ভাগ্যে যায়, সেটার জন্য আরেকটু সময় অপেক্ষা করতে হবে। দিল্লীর মনোভাব বুঝার জন্য শুধু মাত্র আনন্দ বাজার এর উপর ভরসা করলে পার পাওয়া যাবেনা। মার্কিনীদের গ্রিন সিগন্যালের উপরই মূলত সেটা নির্ভর করছে ভারতের পজিটিভ মনোভাব। তবে এই মুহূর্ত পর্যন্ত এরশাদ সাহেব মার্কিন ও ভারতীয় গুড বুকে যে রয়েছেন সেটা অনেকটা স্পষ্ট। মার্কিনীরা এবং ভারতীয়রা জানে এরশাদের পক্ষে এককভাবে জিতে ক্ষমতায় আসা সম্ভব নয়। তবে বৃহৎ দুই জোটের কাছে এরশাদকে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলতে যা যা করার মার্কিন ও ভারতীয় লবি তাই করবে। আর এরশাদও রাজনীতির ময়দানে এখন বুঝে শুনে চাল চালাবেন তাতে কোন সন্দেহ নাই।

সরকারি গোয়েন্দা জরিপ, ফরেন ডিপ্লোম্যাটদের নানান সোর্সের জরিপ আর তাবৎ জনগণের সমর্থন যে এখন আর ক্ষমতাসীনদের প্রতি নেই, সেটা সকলেই জানেন। আওয়ামীলীগ যতই মুখে বলুক, ভিতরে ভিতরে জনতার বিক্ষোভের গরম বাতাসে এখনি সেদ্ধ হতে চলেছে।তাই একজন এরশাদ যখন সিঙ্গাপুরে যান, খালেদা জিয়াও যখন চিকিৎসার জন্য সেখানে যান, কিংবা একজন অসুস্থ তারেক জিয়া যখন দেশে আসার জন্য অল্প-মৃদু বাতাসে শ্বাস ছাড়েন, তখনি আওয়ামীলীগ শিবিরে ঝড় বইতে শুরু করে।এরশাদ দেশে ফিরে আসার সাথে সাথেই তাই এরশাদের কাছে ছুটে যান ওবায়দুল কাদের, জাহাঙ্গীর কবির নানক। এরশাদের মান ভাঙ্গাতে। সাড়ে চার বছরের মধ্যে যে এরশাদকে মহাজোট সরকার কানাকড়ি দামও দেয়নি, সেই এরশাদের সাথে মহাজোট নেত্রী ৪০ মিনিট বৈঠক করে বসেন।এরশাদও এখন অনেক জানু রাজনীতিবিদ। অনেক পোড় খেয়ে তিনিও রাজনীতির সকল অলি গলি জেনে গেছেন। একবার বলছেন মহাজোটে আছি, মহাজোটে থাকবো। আবার বলছেন আমরা মহাজোটে নেই।চার সিটি নির্বাচনের আওয়ামীলীগের ভরাডুবি এরশাদ সহ আরো অনেককেই হুশিয়ার করে দিয়েছে।ভারতীয়রা যেমন কি কথা বলেছে, সেটাও অজানা, মহাজোট নেত্রী ও দেশনেত্রীকে এরশাদ কি কথা বলেছেন, সেটাও অজানা। তবে ধারণা করা যায়, এরশাদ কাউকেই কথা দেননি। অন্তত এরশাদের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ এবং বনানী মাঠের বক্তৃতার ধরন দেখে অনেকের কাছে তাই মনে হচ্ছে। দুই নেত্রী যেমন সুযোগের সন্ধানে হোসেন মোহাম্মদ এরশাদকে ব্যবহার করছেন, নাচাচ্ছেন, একইসাথে এরশাদও নিজের মতো করে তাদের সাথে খেলছেন।গাজীপুরের নির্বাচনে হাসিনা এরশাদের সমর্থন আশা করতেই পারেন। আওয়ামীলীগ এবং তার মিত্ররা এই নির্বাচনকে তাদের জেতা-মরার সমান হিসেবে যেমন নিয়েছে, বিএনপিও তাদের মিত্ররাও এই নির্বাচনকে এসিড টেস্ট হিসেবেই নিয়েছে।এই মুহূর্ত পর্যন্ত হেফাজত আর জাতীয় পার্টির সমর্থন মান্নান সাহেবের দিকে। বিভিন্ন জরীপে এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাতাসের উত্তাপ ঢাকার অদূরে দশ লক্ষের মতো ভোটারের গায়ে যা লেগেছে, তাতো অনেকটাই নিশ্চিত । আওয়ামীলীগ যদি বিপুল ভোটে হেরেও যায়, তবে সান্ত্বনা ও ডিপ্লোম্যাসি ও হাসিনার ইগো ও দাম্ভিকতার সেই দাবী তাদের দলীয় অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়-জোর দিয়ে বলতে পারলেও একথা নিশ্চিত বাংলাদেশের ৬৮ হাজার গ্রামের শত-লক্ষ-কোটি আওয়ামীলীগের কর্মী, সমর্থক আর নেতাদের কোমর ও মনোবল একেবারেই ভেঙ্গে যাবে। আগামী সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হওয়ার মতো সামান্যতমও জাদুমন্ত্র বলেও সেই মনোবলকে চাঙ্গা করা যাবেনা।সেজন্য আওয়ামীলীগের স্বনামধন্য কলামিস্ট বুদ্ধিজীবী আব্দুল গাফফার চৌধুরী গাজীপুর নির্বাচনকে দেখছেন আওয়ামীলীগের জন্য ষ্ট্যালিনগ্রাদের যুদ্ধ হিসেবে। আবার গাজী পুরে হারা মানেই সেখান থেকেই যেমন বিরোধী শিবিরের সরকার গঠনের সূচনা, একই সাথে পরাজয় মানেই সরকার পতনের ও বিশৃঙ্খলা পূর্ণ রাজনৈতিক অবস্থার সূচনা। আনন্দ বাজার, ভারতীয় ও মার্কিনীরা এবং হোসেন মহাম্মদ এরশাদ এটা ভালো করেই জানেন বলেই দুই জোটের কাছে কদর যেমন বাড়িয়ে চলেছেন, আওয়ামীলীগের ফাঁদা সেই দলীয় অন্তর্বর্তী সরকারের ফর্মুলায় নিজের একক নির্বাচনের ঘোষণা মূলত এরশাদের রাজনৈতিক এক ষ্ট্যান্ট ছাড়া আর কিছুই নয়। বাজ পড়লে যেমন মানুষ মরতেও পারে, নাও পারে- এরশাদ এখন সেই বাজ পড়ার মতো দ্বৈত নীতিতে মসৃণ পথে হাঁটছেন। গাজীপুর নির্বাচনের ফলাফলই বলে দেবে এরশাদের রাজনৈতিক ষ্ট্যান্ট এখন কোন ছকে পরিচালিত হচ্ছে।আপাতত: সেই নির্বাচনী ফলাফল পর্যন্ত আমাদেরকে অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

Salim932@googlemail.com
30th june 2013.

  • to post comments
  • 3271 reads
Please follow and like us:

Add a Comment

Your email address will not be published.

Follow by Email
YouTube
Pinterest
LinkedIn
Share
Instagram
error: Content is protected !!